৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন।

৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। মুক্তিযুদ্ধে মোট এগারোটি সেক্টরের মধ্যে যশোর আট নম্বর সেক্টরে বিভক্ত। কমান্ডার এমএম মঞ্জুর এর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকায় ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা শত্র“মুক্ত হয়।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে যশোর হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম শত্র“মুক্ত জেলা। ইতিহাসের পাতায় ৬ ডিসেম্বরকে গুরুত্ব দিয়ে আগামীদিনের প্রজন্ম যাতে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারে এবিষয়ে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদকে তার নিজস্ব অবস্থানে থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। বুধবার বিকেল ৪টায় বারান্দীপাড়ার মোল্যাপাড়াস্থ বাঁশতলায় যশোর জেলা শত্র“মুক্ত দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় যশোর সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী স্বপন এসব কথা বলেন। এই দিনকে স্মরণ করে এবং ৬ ডিসেম্বরের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ যশোর জেলা শাখা গরীব-দুঃখি শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের মাগুরা জেলা সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ও রেডিও বেতার খুলনার স্বরচিত আবৃত্তিকার শচীন্দ্রনাথ বিশ্বাস এবং যশোর ক্যান্টনমেন্টকলেজের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এসএম তাজউদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ তরুণ লেখকপরিষদের যশোর জেলা শাখার সভাপতি মোঃ হাসিবুর রহমান হাসিব। সঞ্চলনা করেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রায়হান সিদ্দিক ময়না। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি রেজাউল বিশ্বাস সজল, সহ সভাপতি সোহেল রানা দিপু,সহ সাধারণ সম্পাদক হৃদয় তরফদার, সহ সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিহাদ হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত সিংহ সাহা, কলেজ বিষয়ক সম্পাদক অনিক চক্রবর্তী, সহ কলেজ বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম তন্ময়, প্রচার সম্পাদক আলাল হোসেন অপু, সহ প্রচার সম্পাদক সাজিদ হাসান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সিমরিন তুলি, গ্রন্থাগারবিষয়ক সম্পাদক ইস্তেয়াক হোসেন, সহ গ্রন্থাগার বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন আকাশ সদস্য- নিয়াজ, ইমন, শিমুল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সোহেল রানা, মামুন, সাজিন ও মাহিম প্রমুখ।

Comments

Popular posts from this blog

একজন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি সাদেক কুরাইশী

ঠাকুরগাঁও শহরের উত্তরপাশের সেনুয়া বেইলী ব্রিজটি মালবাহী ট্রাকসহ ভেঙ্গে পড়ে প্রায় ১০টি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দূর্ভোগে পড়েছে ওইসব এলাকার সাধারণ মানুষ।